দাক্ষিণাত্যের রেন ফরেস্ট Agumbe
গনেশ চতুর্থী-এর সময় বহুদিনের কাঙ্খিত মনোরম হিঙ্গারা থেকে ঘুরে আসার পর থেকেই একরাশ ভালোলাগা, অসাধারণ, অবর্ণনীয় অভিজ্ঞাতা লেখার জন্য মনের মধ্যে প্রচুর কথা জমে ছিল যা ব্যাস্ততার অভাবে লেখা হয়ে ওঠেনি | আজ অনেকদিন পরে একটু নিজের মতো অবসর পেয়ে সেই সুযোগ আর হাতছাড়া না করে ডায়েরি-এর পাতা খুলে বসলাম |
আমি ছোট থেকেই প্রকৃতি প্রেমী | সবুজ এবং সবুজের সন্তান সন্ততি দের আমার খুব ভালো লাগে | বহুবার সংবাদ পত্রের মাধ্যমে যখন জানতে পেরেছি যে ডুয়ার্স-এর কোনো চা বাগানে মাতৃ হারা চিতা (leopard) শাবকের সন্ধান পেয়ে শ্রমিকরা বন দফতরের হাতে তাদের তুলে দিয়েছে, ভবিষ্যত সুরক্ষিত করার জন্য, বার বারই সেই শ্রমিকদের উপর ঈর্ষা বোধ করেছি, মনে হয়েছে তাদের পরিবর্তে আমি যদি ওই শাবকদের প্রথম সাক্ষাৎ পেতাম, একটু ওদের আদর করতে পারতাম ! আমার এই অবাস্তব চিন্তা ভাবনার দরুন আমাকে বাড়ির পুরুষ সদস্যদের কাছে বেশ রঙ্গ তামাশার শিকার হতে হয় - তাদের মনে হয় আমি ভুল করে মনুষ্য জগতে এসে পড়েছি -- আমার সঠিক জায়গা ছিল সবুজের মধ্যে | এহেন আমি সমস্ত রকম পশু পাখির প্রতি অনবদ্য টান অনুভব করলেও, সরীসৃপদের বঞ্চিত রেখে ছিলাম এর থেকে | এই ভুল আমার ভাঙলো South-এর রেন ফরেস্ট Agumbe গিয়ে |
ছোটবেলার একটা শোনা কথা যা আমার সেই মুহূর্তে বার বার মনে পড়ছিলো যে "শিক্ষক যদি ছাত্র ছাত্রীর মন বুঝতে পারেন তাহলে, অতি দুষ্টু ছাত্ররাও সেই শিক্ষকের ক্লাসে মনোযোগী হয়" | আমার দশাও সে রকমই হয়েছিল প্রায়, আমার বরের নেশা ফটোগ্রফি, বিগত কয়েক মাস যাবৎ তিনি একটি ফটোগ্রফি ক্লাব-এর সাথে যুক্ত, তো সেখান থেকেই হিংগারা র নাম পাওয়া এবং সেখানে যাওয়ার প্রস্তুতি শুরু, সত্যি কথা বলতে প্রথমে আমি মন থেকে একদম সায় পাচ্ছিলাম না, শুধু মনে হচ্ছিলো সাপ দেখার জন্য উজিয়ে এতদূর যাওয়া তাও আবার যারা স্বাধীন ভাবে সেখানে যত্রোত্রতো ঘুরে বেড়াচ্ছে ,ভাবলেই তো গা শিউরে উঠে | কিন্তু আমার ভুল ভাঙলো হিংগারা গিয়ে |
গনেশ চতুর্থীর দিন আমরা রওনা দিলাম হিংগারার উদেশ্যে (বেঙ্গালুরু থেকে 350 km) | হিংগারা মূলত বিখ্যাত নানা রঙের পিট্ ভাইপার-এর জন্যে, যাদের এখানে চাক্ষুষ দেখা যায় বর্ষার মরসুমে, সেজন্য জুন থেকে অগাস্ট পর্যন্ত ফটোগ্রাফারদের (বিশেষত Macro ছবি যারা তোলেন বা ভালোবাসেন) ভিড় থাকে দেখার মতো আর সাথে যদি থাকে সতীশজি র মতো একজন শিক্ষক প্লাস গাইড, সাপেদের সম্পর্কে আপনার মনে যে ভয় বাসা বেঁধে আছে তা ভাঙতে বাধ্য | বিস্তারিত যাবার আগে জায়গাটির ব্যাপারে একটু জানিয়ে রাখি -- কর্ণাটক-এর পশ্চিম প্রান্তে, Western Ghat পর্বত মালা-য় Agumbe একটি ছোট গ্রাম | এই জায়গাতে সারা বছর এত বৃষ্টি হয় যে একে সাউথ-এর চেরাপুঞ্জি বলা হয় | Agumbe নামটা শুনলেই যেটা মাথায় আসে সেটি হচ্ছে বৃষ্টি আর King Cobra (শঙ্খচূড়) | পুরো পশ্চিম ঘাট পর্বত মালা রেইন ফরেস্ট হওয়ার জন্য, প্রচুর রকমের সাপ এই অঞ্চলে পাওয়া যায় | আমরা ছিলাম Hingaara Nature Stayতে, যেটি Agumbe থেকে 10 কিমি দূরে অবস্থিত একটি বহু পুরোনো হেরিটেজ হাউস | এই হাউস-এর একটি পোরশন এখন home stay হিসেবে ভাড়া দেওয়া হয় | এখানকার ঘরোয়া অভ্যর্থনা আপনাকে আপলুত করবেই | জনসন ও তার স্ত্রী শীলাই মূলত অতিথিদের আপ্যায়ণ থেকে তাদের সমস্ত প্রয়োজন মেটাবার জন্য সদা সর্বদা সজাগ থাকে | আর আছে একজন অসাধারণ লোকাল কুক, তার হাতের রান্নায় জাদু আছে ,কত রকমের যে আইটেম বানাতো তা বলে শেষ হবার নয়, আর আশ্চর্যের বিষয় যে কদিন ছিলাম কখনো কোনো ডিশ (ব্রেকফাস্ট, লাঞ্চ, ডিনার ) রিপিট হতে দেখিনি | থাকার ঘরগুলো বেশ পরিষ্কার পরিছন্ন, এটাচ বাথরুম সহ বেশ খোলা মেলা | আমাদের পৌঁছতে দুপুর হয়ে গেছিলো আর সেদিন বাড়িতে গণেশ পুজো থাকার জন্য সতীশজি আমাদের সময় দিতে পারলেন না, বিকেলে এসে দেখা করে নেক্সট দিনের প্ল্যান জানিয়ে গেলেন | সতীশজি চলে যাবার পর আমরা দুজনে আশেপাশে হেঁটে হেঁটে কিছুটা ঘোরাঘুরি করলাম, এর মাঝে কতবার যে বৃষ্টি হয়ে গেলো তা বলার নয়, হটাৎ রোদ তার দুমিনিটের মধ্যেই কোথা থেকে মেঘ এসে বৃষ্টি ঝরিয়ে চলে যাচ্ছে, চারদিকে সবুজের সমাহার তার সাথে ময়ূরের ডাক সে এক অদ্ভুত মন ভালো করা বিকেল | পরের দিন অনেক সকাল সকাল উঠতে হবে বলে আমরা তাড়াতাড়ি ডিনার করে নিলাম ,কতরকমের যে পদ ছিল - আক্কি রুটি, জিরা রাইস, পোলাও, গোবি মাঞ্চুরিয়ান, বিভিন্ন রকমের চাটনি, গরম লেডিকেনি, আরো কত কি বলে শেষ হবার নয় |
 |
| Road to Agumbe |
 |
Rain started
|
 |
| Jungle started |
 |
| A small patch of tea garden is also there on the way |
 |
Please come and have some Prasad (Ganesh Puja)
|
 |
| Reached Hingaara Nature Stay |
 |
| Dining Hall 😋 |
 |
Very hungry
|
পরের দিন সকাল বেলা একটা অসাধারণ ব্রেকফাস্ট করে আমরা সতীশজি র সঙ্গে সাইড সীন দেখতে বেড়োনোর আগে একবার আশেপাশের জায়গাটা ঘুরে দেখতে দেখতে হটাৎ সতীশজির হাতের ইশারায় ওনার কাছে গিয়ে তার (Pit Viper) প্রথম দেখা পেলাম, সত্যি কথা বলতে আমাদের শুহুরে চোখে যা খুঁজে পাওয়া একেবারে অসম্ভব, home stay-এর বাউন্ডারি (বাঁশ আর গাছ দিয়ে বেড়া) এর মধ্যে এমন ভাবে পেঁচিয়ে ঘুমাচ্ছিলো, যা গাইড ছাড়া দেখতে পাওয়া সম্ভব নয়, বলতে অসুবিধা নেই প্রথম এত কাছ থেকে তাকে দেখে আমার মধ্যে যে অস্বস্তি ছিল তা সম্পূর্ণ চলে গেলো, এক অদম্য উত্তেজনায় আমরা দুজনেই (সতীশজির উপস্তিতিতে) ঘন্টা খানেক সেখানেই কাটিয়ে দিলাম, ছেলেকে ভিডিও কল (পড়াশুনোর জন্য হোস্টেলে আছে) করে দেখাতে পেরে মনটা আনন্দে ভরে গেলো, কারণ এই প্রথম ওকে ছাড়া আমরা ঘুরতে বেড়িয়েছি তো ! এক প্রচন্ড মনখারাপ কাজ করছিলো, যা ভিডিও কল এর মধ্যে ওকে দেখাতে পেরে কিছুটা লাঘব হলো, ছেলেও আমাদের মতোই খুব উৎসাহের সঙ্গে অনেক প্রশ্ন করলো যা সতীশজির কাছ থেকে জেনে নিয়ে ওকে উত্তর দিয়ে, এবার আমরা রওনা দিলাম প্রায় এগারো কিমি দূরে জঙ্গল-এর মধ্যে এক ওয়াটার ফলস-এর উদ্দেশ্যে (Jogigundi Falls)| জঙ্গল-এর মধ্যে দিয়ে প্রায় এক কিমি হেঁটে অনেক গুলো সিঁড়ি পেরিয়ে যখন ওয়াটার ফলস এর কাছে পৌছালাম সমস্ত ক্লান্তি দুর হয়ে গেলো, ছোট হলেও ভীষণ সুন্দর একটি ফলস, আমি তো প্রায় হারিয়েই গিয়েছিলাম, হঠাৎ সতীশজির ইশারায় কাছে গিয়ে দেখি, এক মরচে রঙের Pit Viper পাথরের খাঁজে ঘুমোচ্ছে, আরো কিছুক্ষন ঘোরাঘুরির পর যখন ফরেস্ট থেকে বেরোবো, ঠিক সেই সময় নামলো মুষলধারে বৃষ্টি | একদম জনবিরল অরণ্যে বৃষ্টির যে রূপ সেদিন দেখে ছিলাম তা বর্ণনার অতীত, রেইনকোট ,গামবুট পরে বৃষ্টির সময় জঙ্গল এর মধ্যে দিয়ে হাঁটার যে আনন্দ সে দিন পেয়েছিলাম ,তা সত্যি ই অপূর্ব | বেলা তিনটে নাগাদ আমরা রুমে এসে, লাঞ্চ সেরে একটু রেস্ট নিয়ে নিলাম, রাতের এডভেঞ্চার এর জন্য |
 |
| Breakfast |
 |
| First Pit Viper sighting |
 |
First Pit Viper sighting (closeup)
|
 |
Also spotted a Green Vine Snake
|
 |
| Can you spot the Green Vine Snake here? |
 |
| For local children, it is school time. Tourists have spotted snakes in distance. |
 |
| Walking towards Jogigundi Falls |
 |
Jogigundi Falls
|
 |
| Nothing is wasted in nature - ants eating dead mantis |
 |
2nd Pit Viper spotted near the falls
 Rain Forest
 By the Jogigundi falls
 Love & affection
 Our guide Satish ji
সন্ধে সাত-টা নাগাদ সতীশজি তার এস্টেট-এ নিয়ে গেলেন (ওনার নিজের বাড়ির পেছনেই অনেকটা জায়গা নিয়ে জঙ্গল) সত্যি কথা বলতে সেই বর্ষার ঘুটঘুটে রাতে (গামবুট, রেইনকোট পড়ে, যাতে শরীরের কোনো অংশ খোলা না থাকে, কারণ প্রচন্ড জোঁকের উপদ্রব) টর্চ আর ক্যামেরা নিয়ে আমরা সতীশজি র সঙ্গে তার বাগানে প্রবেশ করলাম | সন্ধে সাত-টা বাজলেও মনে হচ্ছে নিঝুম রাত, চারদিকে ব্যাঙ আর ঝিঁঝিঁ পোকার ডাক, কীট পতঙ্গের জীবন চক্র সম্পকর্কে কতো অজানা তথ্য যে জানলাম আর দেখলাম বলার নয় | Bush frog যাদের আকার খুব বেশি হলে এক ইঞ্চি মতো, কমলা রং এর কিন্তু গলার আওয়াজ সাড়াজাগানোর মতন, সতীশজির কাছে জানলাম মানুষ্যসমাজের মতোই তাদের সমাজে-ও যাদের গলার আওয়াজ পাওয়া যাচ্ছে তারা হচ্ছে মহিলা, ছেলেরা ডাকে না, তারা ওই ডাক শুনে আকৃষ্ট হয়ে কাছে আসে ,যখন ব্যাঙ-গুলো ডাকে তখন তাদের গলার কাছটা বেলুনের মতন ফুলে উঠে, সে এক অদ্ভুত দৃশ্য | আমার খুব ভাগ্য ভালো যে একদম চাক্ষুষ সিকাডা-র খোলস পরিত্যাগ (molting) করতে দেখেছি যা দেখতে পাওয়া এক বিশাল ব্যাপার | এখানে সিকাডা র জন্মবৃত্তান্ত একটু জানিয়ে রাখি ...."সিকাডা হচ্ছে রঙিন মাছি প্রজাতির এক পতঙ্গ, বড় গাছে এর পাতায় মা সিকাডা ডিম পাড়ে, সেই ডিম গাছে এর রস নিয়ে লার্ভা হওয়ার পর নিজেদের অন্য শত্রুদের থেকে বাঁচাবার জন্য মাটির নিচে চলে যায়,তেরো থেকে সতেরো বছরের জন্য, সে সময় তারা শুধু গাছের রস খেয়েই থাকে, প্রায় সতেরো বছর পর মাটি ফুঁড়ে রাতের বেলা কোনো গাছের পাতা বা কাণ্ডের উপর নিজের পুরোনো খোলস ছেড়ে পূর্ণাঙ্গ সিকাডা তে রূপান্তরিত হয়, এই অবস্থায় ওরা কিছু না খেয়ে ডিম পারে,আর তাদের পূর্ণাঙ্গ জীবনচক্র মাত্র তিনদিনর হয়" | খোলস ছেড়ে পূর্ণাঙ্গ অৱস্হায় আস্তে ওদের চার থেকে পাঁচ ঘন্টা লাগে, সে জিনিস নিজের চোখে দেখার অভিজ্ঞতা অসাধারণ | কত রকমের যে মাকড়সা, বিভিন্ন প্রকারের ছত্রাক, বড় বড় পিউপা, (এত বড় পিউপা আমি আগে কথনো দেখিনি ) আর সব চেয়ে বেশি যারা আমাদের এন্টারটেইন করছিলো তারা হলো সতীশজির এস্টেটের Green Vine সাপ (বাংলায় যা লাউডগা নাম পরিচিত) মনে হচ্ছিলো যেন সতীশজির পোষা সেগুলো | বাগানে ঢোকার মুখেই, উঠোনে, তুলসী গাছে একটা বেশ বড় Green Vine দেখতে পেলাম, যিনি কিনা টর্চ-এর আলোতে আমাদের তার বিভিন্ন অঙ্গভঙ্গি এর মাধ্যমে স্বাগত জানাছিল, আমার বর মহাশয় তো সেখানেই ক্যামেরা হাতে ঘন্টা খানেক কাটিয়ে দিলেন, সে ও খুশি মনে বিভিন্ন রকমের পোজ দিয়ে আমার বর কে খুশি করার সমস্ত চেষ্টা করে গেলো | বাগানের ভেতরে, আরো একজায়গাতে আমরা আরো দুটো Green Vine দেখেছি | সেদিন রাতে যা দেখলাম তা আমার কল্পনার-ও অতীত | কীট-পতঙ্গের অদ্ভুত জগৎ সম্পর্কে কত কি না জানা গেলো সতীশজির কাছ থেকে | সে রাতে আমি দু চোখের পাতা এক করতে পারিনি, সারারাত শুধু সেই রোমাঞ্চকর অভিজ্ঞতার কথা ভাবতে ভাবতেই দেখি কখন ভোর হয়ে গেছে |
 Green Vine near the entrance
 Cicada molting - 1st stage - just wings have come out
 Cicada molting - 2nd stage - body has come out of the old shell
 Cicada molting - 3rd stage - entire body has come out of the shell
 Cicada molting - 4th stage - molting is completed. Wings are being formed
 Cicada molting -- final stage - wings are getting dried
 Blue eyed bush frog
 Green Vine
 Green Vine
 Dinner time
সত্যি বলতে এখানে আসার আগে পর্যন্ত আমি বর-এর উপর প্রচন্ড বিরক্ত ছিলাম, মন থেকে মেনে নিতে পাচ্ছিলাম না যে পয়সা খরচ করে এতো জায়গা থাকতে আমাকেও সাপেদের (আগেই বলেছি সাপেদের সম্মদ্ধে আমার অস্বস্তির কথা) রাজত্বে যেতে হবে শুনে, কিন্তু তাকে এই লেখার মাধ্যমে ধন্যবাদ জানাতেই হয়, কারণ তার জেদের কাছে হার মেনেই এই অজানা জগৎ সম্পর্ককে আমার যে বিন্দুমাত্র জ্ঞান এবং অবিস্মরণীয় অভিজ্ঞতা অর্জন হলো, তা কোনোদিন ভোলার নয় | পরদিন সকালবেলা আরো একটা দারুন breakfast করে আমরা যখন বেরোচ্ছি, সেই মুহূর্তেও আরো কিছু চমক যেন আমাদের জন্য অপেক্ষা করছিলো, আমাদের গাড়ি home stay থেকে বেরোবার মুহূর্তেই সেখানকার মালি স্থানীয় ভাষায় কিছু বলে আমাদের দৃষ্টি আকর্ষণ করতে চাইছিলো, পিছনেই আসছিলেন সতীশজি, উনি আমাদের বিদায় জানাতে এসেছিলেন, যাই হোক আমরা মালিকে অনুসরণ করে যখন তার কাছে উপস্থিত হলাম, তখন আরো একবার মুগ্ধ হবার পালা, এক অদ্ভুত সুন্দর সবুজ রঙের Pit Viper একটি ছোট গাছের উপর ঘুমিয়ে আছে, ততক্ষনে গাইড এর ভরসায় আমার ভয় কেটে মন একদম রোমাঞ্চে ভরপুর, Pit Viper-এর সাথে ছবি তোলার লোভ আর সামলাতে পারলাম না, দেখে দেখে আর আঁশ মিটছিলো না, যাই হোক আমাদের বেরোনোর তাড়া ছিল, আর সে তো সারা দিন ওখানেই থাকবে (দিনের বেলা নো মুভমেন্ট ) তাই ইচ্ছে না থাকলেও তাকে বিদায় জানিয়ে আমরা আমাদের গন্তেব্যের উদেশ্যে রওনা হলাম অনেক অনেক মনের রসদ আর ভালোলাগা নিয়ে |
পরিবার এর সদস্যদের উৎসাহে এটি আমার প্রথম লেখা ,ভুল ,ত্রুটি মার্জণীয় |
 With Green Morph Pit Viper
 Somewhere, on the road
 A roadside natural stream
 A roadside natural stream
 At Kundadri Shri Parshwanatha Basadi (A Jain temple)
Inside the Kundadri Shri Parshwanatha Temple
|
No comments:
Post a Comment